সরকারের জন্য সুপারিশ রেখে যাবে বিদায়ী নির্বাচন কমিশন
১২ সেপ্টেম্বর ২০১১বিশ্লেষকরা বলেছেন পুরনো আইনেই যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ কমিশনারদের নিয়োগ দেয়া হয় তাহলে দলীয়করণের অভিযোগ উঠতে পারে৷ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সংলাপের উদ্দেশ্যই ছিল নির্বাচনী আইনের সংস্কার৷ এর মধ্যে ইলেকট্রনিক ভোটিং পদ্ধতি ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ পদ্ধতি অন্যতম৷ কিন্তু এই কমিশনের মেয়াদের মধ্যে তা সম্ভব হচ্ছে না৷ নির্বাচন কমিশার সহুল হোসাইন জানিয়েছেন তারা একটি সুপারিশ রেখে যাবেন৷ আর নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ কমিশনারদের পুরনো নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই নিয়োগ করবেন৷
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, অতীতে প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং কমিশনারদের নিয়োগ দিয়েছেন৷ ফলে দলীয়করণের অভিযোগ উঠেছে৷ এখন আওয়ামী লীগ কী করে তা দেখার বিষয়৷
আর সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন খান বলেন, দলীয় বিবেচনায় যদি নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করা হয় তাহলে রাজনৈতিক সঙ্কট আরো বাড়বে৷
বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং দু'জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগ দেয়া হয় বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে৷ আগামী ১৭ই ফেব্রুয়ারি তাদের মেয়াদ শেষ হবে৷
প্রতিবেদন: হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা
সম্পাদনা: রিয়াজুল ইসলাম