বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার ২জন
৩ জানুয়ারি ২০১৯গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রুহুল আমিন ও বেচুকে বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার করা হয়৷
উল্লেখ্য, ধানের শীষে ভোট দেয়ায়নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে৷ সে ঘটনায় গত সোমবার একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়, কিন্তু প্রধান অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতাকে বাদ দিয়ে মামলা করার অভিযোগও করেন ধর্ষণের শিকার সেই নারী ও তাঁর স্বামী৷
তবে বৃহস্পতিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে নোয়াখালী জেলার পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ রুহুল আমিনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন৷ প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, ধর্ষণের শিকার সেই নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়৷
বুধবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ঐ নারীর সঙ্গে দেখা করেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক৷ তিনি রুহুল আমিনের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাওয়ার পর দু'জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ৷
পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয় জেলা সদরের একটি হাঁস-মুরগীর খামার থেকে৷ আর সেনবাগের একটি ইটভাটা থেকে মামলার আসামি বেচুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ৷
এর আগে বুধবার কুমিল্লার বরুরা উপজেলার মহেষপুরের একটি ইটভাটা থেকে মামলার ১ নম্বর আসামি সোহেল, মঙ্গলবার রাতে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলা থেকে ৩ নম্বর আসামী স্বপনকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়৷ তার আগে সোমবার গ্রেপ্তার করা হয় মামলার ৬ নম্বর আসামি বাসুকে৷
আসামিদের তালিকায় থাকা মধ্যবাগ্যা গ্রামের হানিফ, চৌধুরী, আবুল, মোশারেফ ও সালাউদ্দিনকে এখনও গ্রেফতার করা যায়নি৷
ঘটনার একদিন পরে ধর্ষণের শিকার সেই নারীর অটোরিকশাচালক স্বামী ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘ধানের শীষে ভোট দেয়ায় ১০-১২ জন দুর্বৃত্ত রবিবার দিবাগত রাত ১২টার পরে আমার বাড়িতে ঢুকে আমার স্ত্রী-কে ধর্ষণ করে৷'' সে সময় তিনি নিশ্চিত করেন, ধর্ষকরা রুহুল আমীন নামে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার লোক৷
এফএ/এসিবি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)