এথেন্সে পুরাতন ও নবীনের আকর্ষণ
৪ জুলাই ২০১৮এথেন্স শহরের সবচেয়ে বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান অ্যাক্রোপোলিস৷ গ্রিসের রাজধানীতে প্রাচীন যুগের আরও অনেক চিহ্ন রয়েছে৷ যেমন ‘স্টোয়া অফ আটালোস'৷ প্রাচীন যুগে শহরের ময়দানের অংশ ছিল এটি৷
পর্যটকদের গাইড জর্জ ককস শহরের সেরা জায়গাগুলি চেনেন৷ যেমন শোকোলা রয়াল রেস্তোরাঁর বারান্দায় বসে প্রাতরাশের মজা৷ জর্জ বলেন, ‘‘এই দৃশ্য কখনো একঘেয়ে হতে পারে না৷ পছন্দের জায়গাগুলি পর্যটকদের দেখিয়ে খুব আনন্দ পাই, যাতে অ্যাক্রোপোলিস সম্পর্কে আমার অনুভূতি তাদের কাছে পৌঁছতে পারি৷''
এথেন্স শহর ঘুরিয়ে দেখানোর সময় ঐতিহাসিক হিসেবে তিনি প্রাচীন ও নবীনের সমন্বয়ে শহরের এক সার্বিক রূপ তুলে ধরার চেষ্টা করেন৷
এথেন্স শহরের অন্যতম প্রাচীন অংশের নাম প্লাকা৷ সেখানকার আঁকাবাঁকা সরু গলির মধ্যে আবিষ্কারের মজাই আলাদা৷ সেখানে শিল্পকলার উদার পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পরিচিত লিসিক্রেটিসের সৌধও রয়েছে৷ জর্জ বলেন, ‘‘এই সৌধ এথেন্স শহরের এক বিশাল ধনী ব্যক্তিকে উৎসর্গ করে তৈরি হয়েছিল৷ ২,০০০ বছর আগে এথেন্সে এমন এক কর ব্যবস্থা চালু হয়েছিল, যার আওতায় তাঁর মতো ধনীদের কর দিতে হতো৷ মধ্য ও নিম্নবিত্তদের করের আওতার বাইরে রাখা হয়েছিল৷''
ট্যুরে পরবর্তী গন্তব্য প্রাচীন আড্রিয়ান তোরণ৷ রোমান ও গ্রিক স্থাপত্যশৈলির সংমিশ্রণের অপূর্ব নিদর্শন৷ জর্জ ককস বলেন, ‘‘এখানে আমরা অপূর্ব সুন্দর বিজয় তোরণ দেখতে পাচ্ছি৷ পুরোটাই মার্বেল পাথর দিয়ে তৈরি৷ রাজা শহরটিকে এত ভালবাসতেন বলে এই তোরণ তাঁকে উৎসর্গ করা হয়েছে৷''
ছোট একটি টুরিস্ট ট্রেনে করেও শহরের বেশিরভাগ দর্শনীয় স্থানে পৌঁছানো যায়৷ বৈচিত্রে ভরপুর গ্রিসের রাজধানী শহরের মধ্যে যেন জাদুর ছোঁয়া রয়েছে৷
টেওডোরা মাভ্রোপুলস/এসবি